এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৭ ম্যাচে ৩২ গোল ও ১১টি অ্যাসিস্ট করে ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কেইন। বুন্দেসলিগায় শীর্ষে থাকা বায়ার্নের সাফল্যে তার অবদান অসামান্য। চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও দারুণ ছন্দে আছে দল, যেখানে ইংলিশ ফরোয়ার্ডের পারফরম্যান্স ছিল চোখধাঁধানো।
২০০১ সালে মাইকেল ওয়েন ব্যালন ডি'অর জিতেছিলেন। এরপর থেকে আর কোনো ইংলিশ ফুটবলার এই সম্মান অর্জন করতে পারেননি। অনেকেই মনে করছেন, কেইনের পারফরম্যান্স সেই শূন্যতা পূরণের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
এক সংবাদ সম্মেলনে হ্যারি কেইন নিজেই জানালেন আত্মবিশ্বাসের কথা।
“বায়ার্ন মিউনিখের মতো একটি ক্লাবে খেলার সুযোগ আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। আমি এখন আরও বড় দায়িত্ব নিতে পারছি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মান পাওয়া, বড় ম্যাচে পারফর্ম করা— “ সবকিছুই এই ক্লাব আমাকে শিখিয়েছে। ব্যালন ডি’অর জিততে হলে আপনাকে দলগত শিরোপা জিততেই হবে। সেই সঙ্গে মৌসুমে ৪০ গোলের কাছাকাছি কিছু করতে হবে। আর এই মৌসুমে সেটা সম্ভব বলে আমি বিশ্বাস করি।”
কেইনের এই ৪০ গোলের মাইলফলক প্রসঙ্গে আসে মেসি-রোনালদোর প্রসঙ্গ। এক সময় মৌসুমে ৩০ গোল করা ছিল দুর্দান্ত অর্জন। কিন্তু মেসি-রোনালদোর যুগ সেই ব্যারোমিটার পাল্টে দিয়েছে। এখন মৌসুমে ৫০-৬০ গোল করাও যেন সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছে।
কেইনের ভাষায়, “রোনালদো আর মেসির যুগে ৪০ গোল করলেও সেটা মনে হয় যেন কিছুই না। এটা মোটেও ন্যায্য নয়। এমনকি ইংল্যান্ডে মানুষ এ ধরনের পরিসংখ্যানকে হালকাভাবে নেয়। অথচ এত বড় অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি।”
এমন মন্তব্যের মাধ্যমে কেইন যেন ফুটবলবিশ্বকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করলেন। তার মতে, এক জন ফরোয়ার্ডের মৌসুমজুড়ে ৩০-৪০ গোল করাও ব্যতিক্রমী অর্জন হওয়া উচিত, যা হয়তো আবারও গুরুত্ব পাচ্ছে তার পারফরম্যান্সের মাধ্যমে।