ম্যাচের প্রথম মিনিটেই ভারতের গোলরক্ষকের ভুলে সুবর্ণ সুযোগ পায় বাংলাদেশ, কিন্তু মজিবুর রহমান জনি তা কাজে লাগাতে পারেননি। এরপর একের পর এক আক্রমণ করেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পায়নি হাভিয়ের কাবরেরার দল।
প্রথমার্ধেই চারটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে বাংলাদেশ। নবম মিনিটে শেখ মোরসালিনের নিখুঁত ক্রসে শাহরিয়ার ইমন লক্ষ্যভ্রষ্ট হেড করেন। ১৫তম মিনিটে মোহাম্মদ হৃদয়ের দুর্বল শট গোললাইনেই আটকে দেন ভারতের ডিফেন্ডার শুভাশীষ বোস।
বাংলাদেশের হয়ে প্রথমবার মাঠে নামেন ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। তার রক্ষণাত্মক দৃঢ়তায় ভারতের তারকা সুনীল ছেত্রীকে পুরো ম্যাচেই আটকে রাখা সম্ভব হয়।
প্রথমার্ধে ভারত একাধিকবার আক্রমণে উঠলেও গোলরক্ষক মিতুল মারমার দুর্দান্ত সেভে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। ২৭ ও ৩১ মিনিটে টানা দুটি শট রুখে দেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি কিছুটা কমে যায়। ৬১তম মিনিটে ভারতের গোলরক্ষক কাইথ আবারও ভুল করলে জনি সুযোগ পান, কিন্তু শট নিতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত কোনো দলই জালের দেখা পায়নি।
কোচের প্রতিক্রিয়া
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা বলেন, "আমরা অনেক সুযোগ পেয়েছি, কিন্তু কাজে লাগাতে পারিনি। তবে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ভারতের মাঠ থেকে এক পয়েন্ট পাওয়া ইতিবাচক।"