ঘটনার সূত্রপাত এক বছর আগে, যখন দুটি ডোপ টেস্টে পজিটিভ হন সিনার। তিনি দাবি করেন, ফিজিওথেরাপিস্টের অসতর্কতার কারণে শরীরে নিষিদ্ধ পদার্থ প্রবেশ করেছে। মূলত হাত কেটে যাওয়ার পর চিকিৎসার সময় এই শক্তিবর্ধক তার দেহে প্রবেশ করে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।
সিনার নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এড়াতেই নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আমি সবসময়ই বলে আসছি, আমার দলের যেকোনো কিছুর জন্য আমিই দায়ী। ওয়াডার কঠোর নিয়মের কারণ বুঝতে পারছি এবং নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়াই ভালো সিদ্ধান্ত মনে হয়েছে।”
৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে ৪ মে, যার ফলে আসন্ন ফ্রেঞ্চ ওপেনে খেলার সুযোগ থাকছে সিনারের। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি কোনো গ্র্যান্ড স্লাম মিস করবেন না, যা তার ক্যারিয়ারের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর।