বিকেএসপি ৪ নম্বর মাঠে মোহামেডানের হয়ে বোলিং করতে নেমে তাসকিনের এমন ব্যর্থতার দিনে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন গাজী গ্রুপের অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়। মোহামেডানের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে ১৪৩ বলে অপরাজিত ১৪৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ১২টি চার ও ৪টি ছক্কা।
তার সাথে ওপেনার সাদেকুর ৭৫ বলে করেন ৬০ রান এবং তোফায়েল মাত্র ২৯ বলে ৬৩ রান (৫ চার ও ৪ ছক্কা)। ফলে গাজী গ্রুপ ৫ উইকেটে ৩৩৬ রানের বিশাল স্কোর গড়ে।
তাসকিন আহমেদ ৩ উইকেট পেলেও তাঁর ১০৭ রানের খরচ ঢাকার লিগ এবং বাংলাদেশের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এক ম্যাচে কোনো বোলারের সবচেয়ে খরুচে বোলিংয়ের রেকর্ড। এর আগে সর্বোচ্চ রান দেওয়ার রেকর্ড ছিল ইকবাল হোসেনের, যিনি গত বছর ৯ ওভারে ১০৪ রান দিয়েছিলেন। একই সংখ্যক রান (১০৪) এক সময় দিয়েছিলেন শাহাদাত হোসেন রাজিবও ২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে।
তাসকিনের বোলিং বিপর্যয়ের দিনে মোহামেডানের স্পিনার নাসুম আহমেদ (১০ ওভারে ১/৩৯) ও তাইজুল ইসলাম (১০ ওভারে ০/৪১) নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও অফস্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ (১০ ওভারে ৬৬ রান) এবং সাইফউদ্দীন (১০ ওভারে ৭৭ রান) বিশেষ সাফল্য পাননি।
এই ম্যাচে একদিকে যেমন আলোচনায় বিজয়ের ব্যাটিং নৈপুণ্য, অন্যদিকে সমালোচনায় তাসকিনের রেকর্ড গড়া ব্যর্থতা।